খুঁজুন
, ,

তথ্য উপদেষ্টা

মির্জা ফখরুলের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটা ওয়ান ইলেভেনের ইঙ্গিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ৩:২৮ পূর্বাহ্ণ
মির্জা ফখরুলের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটা ওয়ান ইলেভেনের ইঙ্গিত

তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম

মির্জা ফখরুলের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটা ওয়ান ইলেভেনের ইঙ্গিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ভেরিফায়েড ফেসবুক থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মূলত আরেকটা ১/১১ সরকার গঠনের ইঙ্গিত বহন করে। ১/১১-এর বন্দোবস্ত থেকেই আওয়ামী ফ্যাসিজমের উত্থান ঘটেছিল। বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যে সামনে আরেকটা ১/১১ সরকার, সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা এবং গুম-খুন ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার আলামত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ছাত্র এবং অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে মাইনাস করার পরিকল্পনা ৫ অগাস্ট থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট যখন ছাত্র-জনতা রাজপথে লড়াই করছে, পুলিশের গুলি অব্যাহত রয়েছ, তখন আমাদের আপসকামী অনেক জাতীয় নেতৃবৃন্দ ক্যান্টনমেন্টে জনগণকে বাদ দিয়ে নতুন সরকার করার পরিকল্পনায় ব্যস্ত ছিলেন (অনেকে ছাত্রদের কথাও বলেছেন সেখানে)।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ৩ অগাস্ট থেকে বলে আসছি আমরা কোনো প্রকারের সেনাশাসন বা জরুরি অবস্থা মেনে নেব না। আমাদেরকে বারবার ক্যান্টেন্টমেন্টে যেতে বলা হলেও আমরা যেতে অস্বীকার করি। শেষ পর্যন্ত বঙ্গভবনে আলোচনা ও বার্গেনিংয়ের মাধ্যমে ড. ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।’

বিএনপি জাতীয় সরকারে রাজি হয়নি জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে একটা জাতীয় সরকার। জাতীয় সরকার হলে ছাত্রদের হয়তো সরকারে আসার প্রয়োজন হতো না। জাতীয় সরকার অনেকদিন স্থায়ী হবে, এই বিবেচনায় বিএনপি জাতীয় সরকারে রাজি হয় নাই।’

 

‘কিন্তু অভ্যুত্থানের পরেই দেশে জাতীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি ছিল। অথচ বিএনপি জাতীয় সরকারের কথা বলছে সামনের নির্বাচনের পরে।’

এই উপদেষ্টা বলেন, ‘ছাত্ররাই এই সরকারের এবং বিদ্যমান বাস্তবতার একমাত্র ফ্যাক্টর যেটা ১/১১-এর সরকার থেকে বর্তমান সরকারকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে। বিএনপি কয়েকদিন আগে মাইনাস টু-এর আলোচনা করলেও এখন ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের নামে আরেকটি ১/১১ সরকারের প্রস্তাবনা করছে।’

‘এ ধরনের পরিকল্পনা গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে এবং ছাত্র-জনতা কোনোভাবেই এটা মেনে নেবে না। এবং আমি মনে করি এটা বিএনপির বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র।’

সরকারের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানান স্তরে বিএনপিপন্থী লোক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আর এই সরকার জাতীয় সরকার না হলেও সরকারে আন্দোলনের সব পক্ষেরই অংশীদারত্ব রয়েছে এবং সব পক্ষই নানান সুবিধা ভোগ করছে। সরকার গঠনের আগেই ৬ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পুলিশের আগের আইজির নিয়োগ হয়েছিল, যারা মূলত বিএনপির লোক। এরকমভাবে সরকারের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানান স্তরে বিএনপিপন্থী লোকজন রয়েছে। নির্বাচনের নিরপেক্ষতার কথা বললে এই বাস্তবতায়ও মাথায় রাখতে হবে।’

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পরিবর্তন, সংস্কার, নতুন সংবিধান, জুলাই ঘোষণা সব ইস্যুতেই বিএনপি বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অথচ এগুলো কোনোটাই ছাত্রদের দলীয় কোনো দাবি ছিল না। কিন্তু দেশের স্থিতিশীলতা, বৃহত্তর স্বার্থ ও জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য ছাত্ররা বারবার তাদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

কিন্তু এর মানে এই না যে গণতন্ত্রবিরোধী ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাবিরোধী কোনো পরিকল্পনা হলে সেখানে আমরা বিন্দু পরিমান ছাড় দেব।’

আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বিষয়ে ভারতের প্রধান দলগুলোর মধ্যে ঐক্য সম্ভব হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ বিষয়ে আমরা ঐক্য করতে পারি নাই, এত হত্যা ও অপরাধের পরেও। হায় এই ‘জাতীয় ঐক্য’ লইয়া আমরা কী রাষ্ট্র বানাবো!’

‘বাংলাদেশকে দুর্বল করা সহজ, কারণ বাংলাদেশকে সহজেই বিভাজিত করা যায়। এ দেশের বড় বড় লোকেরা অল্পমূল্যে বিক্রি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।’

বিএনপির দেশপ্রেমিক ও ত্যাগীদের আহ্বান জানিয়ে তরুণ এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি মনে করি না সমগ্র বিএনপি এই অবস্থান গ্রহণ করে। বরং বিএনপির কর্মী সমর্থকদের বড় অংশই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন চায়। বিএনপির দেশপ্রেমিক ও ত্যাগী নেতৃত্বকে আহ্বান করব, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে না গিয়ে ছাত্র-জনতার সাথে বৃহত্তর ঐক্য ও সংহতির পথ বেছে নেন।’

শ্রীনগর

শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

ছবিঃ সংগৃহীত

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দুই দফায় ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও তার লোকজন। আহত অবস্থায় ভাই মো. রমজান আলী (৫১) ও বোন আসমা বেগমকে (৪২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জেলার শ্রীনগর উপজেলার সেলামতি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার সকাল ও বিকেলে। এ ঘটনায় আহত বোন আসমা ও বিকেলে ভাই রমজান শ্রীনগর থানায় পৃথক দু’টি অভিযোগ দায়ের করেন। ভাই রমজান ও বোন আসমা সেলামতি গ্রামের মৃত শেখ সলিমউদ্দিনের ছেলে-মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, সেলামতি গ্রামের প্রতিবেশি শাহজাহান ও মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে রমজান ও আসমার বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল শনিবার সকালে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে পাকা দেয়াল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলো শাহজাহান ও রফিকুলের লোকজন। এসময় বাথরুম নির্মাণে বাঁধা দিলে শাহজাহন ও রফিকুলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারীর নেতৃত্বে একদল লোক বোন আসমা বেগমের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটায়। এ ঘটনায় সকালেই শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আসমা। এরপর বিকেলে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে যায় বোন আসমা ও তার ভাই রমজান। এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির লোকজন ফের ভাই-বোনকে বেধড়ক পেটায়।

আহত রমজান আলী অভিযোগ করেন, শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও ব্যাপক প্রভাব দেখিয়েছে। ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর আরো বেপরোয়া এ বিএনপি নেতা। এছাড়াও সেলামতি গ্রামের আলেক বেপারী (৪০) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী হচ্ছেন বিএনপি নেতা ইদ্রিস বেপারী। ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ আলেক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বলেন, রমজান ও আসমাকে আমার লোকজন মারধর করেনি। উল্টো তারাই আমার লোকজনকে মেরেছে। এটা আমার শ্বশুর বাড়ির ঝামেলা বিধায় আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আসমা ও রমজানরা মিলে আমার শ্বশুর বাড়ির সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় শ্রীনগর থানার এসআই মো. এনামুল বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি বসতঘরের ভেতর বসি। তাদের শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করি। এসময় ঘরের বাইরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে । এ ঘটনায় অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপদেষ্টা

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

৯ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল সাড়ে দশটার সময় মুন্সীগঞ্জ সফরে আসেন ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। সার্কিট হাউসে আগমনের সময় মাননীয় উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন জেলা পুলিশের চৌকস দল।

সফরকালে মাননীয় উপদেষ্টা সকাল ১০ টা ৪১ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। গার্ড অব অনার শেষে কারাগারে প্রবেশ করে পরিদর্শন করেন এবং কয়েদিদের সাথে আলাপ করেন। জেলখানার ভিতর পরিদর্শন শেষে তিনি অনেক প্রশংসা করেনেএবং জেল সুপার ও জেলারকে ধন্যবাদ জানান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত, মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, মুন্সীগঞ্জ কারাগারের জেলার নুর মোহাম্মদ মৃধাসহ আরো অনেকে।

পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধিগনসহ আরো অনেকে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জেলা কারাগার বেলা ১ ঘটিকায় সময় ঢাকার উদ্দেশে মুন্সীগঞ্জ ত্যাগ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কয়েকটি শহীদ পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ হয়।

সাক্ষাৎকালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন, আহত ও শহীদ পরিবারের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি, আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশার কথা শুনেছেন এবং সরকারের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক সারজিস আলম উপস্থিত ছিলেন।