খুঁজুন
, ,

গাজীপুর

সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের সময় গণপিটুনি, আহত ২০

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের সময় গণপিটুনি, আহত ২০

ছবি সংগৃহীত

গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাসায় হামলা ও ভাঙচুর চালানোর সময় স্থানীয়দের গণপিটুনিতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রম দক্ষিণখানে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে ভাঙচুরের সময় এলাকাবাসী টের পেয়ে তাঁদের পিটুনি দেয়।

গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, অর্ধ শতাধিক যুবক ভাঙচুর চালাতে থাকলে ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে এলাকাবাসী একজোট হয়ে বাড়ি ঘেরাও করে তাঁদের বেধড়ক পেটায়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘আহতরা বয়সে সবাই তরুণ। তাঁদের বেশিরভাগ শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে শুনেছি।’

ওসি আরিফুর রহমান জানান, ১৫ জনের মতকে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৪ জনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে সিয়াম নামে একজনের অবস্থা গুরুতর।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে কতিপয় লোকজন হামলা করতে আসে। এসময় ডাকাত আক্রমণ করেছে- এমন প্রচার দিলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে হামলাকারীদের আটক করে মারধর করে।

খবর পেয়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। রাত ১১টার দিকে আহত ১৫ জনকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম দেখা যায়।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসক শেখ ফরহাদ জানান, ১১টা পর্যন্ত গুরুতর আহত অবস্থায় ১৫ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। আরো রোগী আসছে। তাদের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাদেরকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শ্রীনগর

শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

ছবিঃ সংগৃহীত

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দুই দফায় ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও তার লোকজন। আহত অবস্থায় ভাই মো. রমজান আলী (৫১) ও বোন আসমা বেগমকে (৪২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জেলার শ্রীনগর উপজেলার সেলামতি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার সকাল ও বিকেলে। এ ঘটনায় আহত বোন আসমা ও বিকেলে ভাই রমজান শ্রীনগর থানায় পৃথক দু’টি অভিযোগ দায়ের করেন। ভাই রমজান ও বোন আসমা সেলামতি গ্রামের মৃত শেখ সলিমউদ্দিনের ছেলে-মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, সেলামতি গ্রামের প্রতিবেশি শাহজাহান ও মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে রমজান ও আসমার বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল শনিবার সকালে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে পাকা দেয়াল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলো শাহজাহান ও রফিকুলের লোকজন। এসময় বাথরুম নির্মাণে বাঁধা দিলে শাহজাহন ও রফিকুলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারীর নেতৃত্বে একদল লোক বোন আসমা বেগমের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটায়। এ ঘটনায় সকালেই শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আসমা। এরপর বিকেলে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে যায় বোন আসমা ও তার ভাই রমজান। এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির লোকজন ফের ভাই-বোনকে বেধড়ক পেটায়।

আহত রমজান আলী অভিযোগ করেন, শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও ব্যাপক প্রভাব দেখিয়েছে। ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর আরো বেপরোয়া এ বিএনপি নেতা। এছাড়াও সেলামতি গ্রামের আলেক বেপারী (৪০) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী হচ্ছেন বিএনপি নেতা ইদ্রিস বেপারী। ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ আলেক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বলেন, রমজান ও আসমাকে আমার লোকজন মারধর করেনি। উল্টো তারাই আমার লোকজনকে মেরেছে। এটা আমার শ্বশুর বাড়ির ঝামেলা বিধায় আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আসমা ও রমজানরা মিলে আমার শ্বশুর বাড়ির সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় শ্রীনগর থানার এসআই মো. এনামুল বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি বসতঘরের ভেতর বসি। তাদের শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করি। এসময় ঘরের বাইরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে । এ ঘটনায় অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপদেষ্টা

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

৯ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল সাড়ে দশটার সময় মুন্সীগঞ্জ সফরে আসেন ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। সার্কিট হাউসে আগমনের সময় মাননীয় উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন জেলা পুলিশের চৌকস দল।

সফরকালে মাননীয় উপদেষ্টা সকাল ১০ টা ৪১ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। গার্ড অব অনার শেষে কারাগারে প্রবেশ করে পরিদর্শন করেন এবং কয়েদিদের সাথে আলাপ করেন। জেলখানার ভিতর পরিদর্শন শেষে তিনি অনেক প্রশংসা করেনেএবং জেল সুপার ও জেলারকে ধন্যবাদ জানান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত, মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, মুন্সীগঞ্জ কারাগারের জেলার নুর মোহাম্মদ মৃধাসহ আরো অনেকে।

পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধিগনসহ আরো অনেকে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জেলা কারাগার বেলা ১ ঘটিকায় সময় ঢাকার উদ্দেশে মুন্সীগঞ্জ ত্যাগ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কয়েকটি শহীদ পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ হয়।

সাক্ষাৎকালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন, আহত ও শহীদ পরিবারের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি, আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশার কথা শুনেছেন এবং সরকারের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক সারজিস আলম উপস্থিত ছিলেন।