খুঁজুন
, ,

অগ্নিসংযোগ

ওবায়দুল কাদেরের গ্রামের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ২:০৮ পূর্বাহ্ণ
ওবায়দুল কাদেরের গ্রামের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর

ওবায়দুল কাদেরের গ্রামের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ  উপজেলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের গ্রামের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন ছাত্র-জনতা।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড় রাজাপুর গ্রামে ওবায়দুল কাদেরের বাড়ির দোতলা ভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ শুরু হয়।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বসুরহাট বাজার থেকে মিছিল বের করেন ছাত্র-জনতা। মিছিলটি বসুরহাট বাসস্ট্যান্ড হয়ে ওবায়দুল কাদেরের বাড়িতে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে থাকা ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার দোতালা ভবন হাতুড়ি, শাবল দিয়ে ভাঙা হয়। পরে তার ছোট ভাই শাহাদাত মির্জার ভবনও ভাঙচুর করা হয়। এর আগে, গত ৫ আগস্ট বিকেলে ওই বাড়ির পাঁচটি বসতঘর ও দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসময় বিক্ষুদ্ধ জনতাকে বিভিন্ন আসবাবপত্র নিয়ে যেতে দেখা যায়।

স্থানীয়রা আরও জানান, ৫ আগস্টের কিছুদিন পর কাদের মির্জা ভবনটি সংস্কার করেন। দ্বিতীয় দফায় বাড়িতে এ অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়। তবে ভাঙচুরের সময় তাদের পরিবারের কেউ ছিলেন না। ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর এ পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে রয়েছেন।

ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নোয়াখালী জেলা শাখার সমন্বয়ক মো. আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতা কোম্পানীগঞ্জের অসংখ্য মানুষ ওবায়দুল কাদের ও তার ভাই আব্দুল কাদের মির্জার ও তাদের বাহিনীর লোকদের দ্বারা অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। এসব কারণে তাদের প্রতি যে ক্ষোভ জমেছিল, আজকের হামলা ভাঙচুর তারই বহিঃপ্রকাশ। এ হামলা ভাঙচুরে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা অংশ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও যদি কোনো সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করতে গিয়ে ফ্যাসিস্ট মতো আচারণ করে, তাদের পরিণতিও একই রকম হবে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিমের ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শ্রীনগর

শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

ছবিঃ সংগৃহীত

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দুই দফায় ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও তার লোকজন। আহত অবস্থায় ভাই মো. রমজান আলী (৫১) ও বোন আসমা বেগমকে (৪২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জেলার শ্রীনগর উপজেলার সেলামতি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার সকাল ও বিকেলে। এ ঘটনায় আহত বোন আসমা ও বিকেলে ভাই রমজান শ্রীনগর থানায় পৃথক দু’টি অভিযোগ দায়ের করেন। ভাই রমজান ও বোন আসমা সেলামতি গ্রামের মৃত শেখ সলিমউদ্দিনের ছেলে-মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, সেলামতি গ্রামের প্রতিবেশি শাহজাহান ও মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে রমজান ও আসমার বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল শনিবার সকালে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে পাকা দেয়াল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলো শাহজাহান ও রফিকুলের লোকজন। এসময় বাথরুম নির্মাণে বাঁধা দিলে শাহজাহন ও রফিকুলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারীর নেতৃত্বে একদল লোক বোন আসমা বেগমের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটায়। এ ঘটনায় সকালেই শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আসমা। এরপর বিকেলে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে যায় বোন আসমা ও তার ভাই রমজান। এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির লোকজন ফের ভাই-বোনকে বেধড়ক পেটায়।

আহত রমজান আলী অভিযোগ করেন, শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও ব্যাপক প্রভাব দেখিয়েছে। ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর আরো বেপরোয়া এ বিএনপি নেতা। এছাড়াও সেলামতি গ্রামের আলেক বেপারী (৪০) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী হচ্ছেন বিএনপি নেতা ইদ্রিস বেপারী। ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ আলেক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বলেন, রমজান ও আসমাকে আমার লোকজন মারধর করেনি। উল্টো তারাই আমার লোকজনকে মেরেছে। এটা আমার শ্বশুর বাড়ির ঝামেলা বিধায় আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আসমা ও রমজানরা মিলে আমার শ্বশুর বাড়ির সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় শ্রীনগর থানার এসআই মো. এনামুল বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি বসতঘরের ভেতর বসি। তাদের শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করি। এসময় ঘরের বাইরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে । এ ঘটনায় অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপদেষ্টা

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

৯ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল সাড়ে দশটার সময় মুন্সীগঞ্জ সফরে আসেন ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। সার্কিট হাউসে আগমনের সময় মাননীয় উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন জেলা পুলিশের চৌকস দল।

সফরকালে মাননীয় উপদেষ্টা সকাল ১০ টা ৪১ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। গার্ড অব অনার শেষে কারাগারে প্রবেশ করে পরিদর্শন করেন এবং কয়েদিদের সাথে আলাপ করেন। জেলখানার ভিতর পরিদর্শন শেষে তিনি অনেক প্রশংসা করেনেএবং জেল সুপার ও জেলারকে ধন্যবাদ জানান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত, মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, মুন্সীগঞ্জ কারাগারের জেলার নুর মোহাম্মদ মৃধাসহ আরো অনেকে।

পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধিগনসহ আরো অনেকে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জেলা কারাগার বেলা ১ ঘটিকায় সময় ঢাকার উদ্দেশে মুন্সীগঞ্জ ত্যাগ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কয়েকটি শহীদ পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ হয়।

সাক্ষাৎকালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন, আহত ও শহীদ পরিবারের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি, আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশার কথা শুনেছেন এবং সরকারের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক সারজিস আলম উপস্থিত ছিলেন।