খুঁজুন
, ,

কিছু বিষয়ে সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে না: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ
কিছু বিষয়ে সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে না: ফখরুল

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

কিছু বিষয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) শহীদ আসাদের ৫৬তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে শহীদ আসাদ পরিষদ।

সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, আমি এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেছি, অন্তর্বর্তী সরকার যদি নিরপেক্ষ না থাকে, তাহলে নির্বাচনের সময়ে একটি নিরপেক্ষ সরকার দরকার আছে। আমি এই কথাটা বলেছি কারণ, আমরা দেখছি কিছু বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারছে না। আমরা আশা করি, অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। দেশে যে সংকট আছে, তা থেকে মুক্ত করার জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা এখনো দেখছি, আমলাতন্ত্র আগে যে অবস্থায় ছিল এখনো সচিবালয় থেকে শুরু করে সব প্রশাসনে একইভাবে তাদের ভূমিকা পালন করছে। কোনো ধরনের রদবদল হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া একদম বন্ধ হয়ে গেছে, স্কুল-কলেজে সেভাবে লেখাপড়া হচ্ছে না। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে। এগুলো অতীত থেকেই এসেছে। সেগুলো পরিবর্তন এত অল্প সময়ে সম্ভবও নয়। সেজন্যই আমরা বলছি, নির্বাচন দ্রুত হওয়া দরকার। নির্বাচন দ্রুত হলে যে সরকার আসবে, রাজনৈতিক কমিটমেন্ট যেগুলো থাকবে সে কমিটমেন্টগুলো পালন করার জন্য অবশ্যই দায়বদ্ধ থাকবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, সাধারণ মানুষ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র চায়। সেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তারা তাদের অধিকার ফেরত চান। তারা যেন তাদের ভোটের অধিকারটা পান, কথা বলার অধিকার পান এবং তাদের সন্তানরা যাতে লেখাপড়া শিখতে পারে। তারা এমন একটি সমাজ চায়, যেই সমাজে দুর্নীতি, অনিয়ম, অন্যায় থাকবে না। সেই সমাজে মানবিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার থাকবে, সেই ধরনের একটি সমাজ তারা চায়। কিন্তু সব সময় আমরা সেটি পায় না।

ফখরুল বলেন, নির্বাচনটা দ্রুত হওয়া দরকার। কারণ আমি বিশ্বাস করি, যে নির্বাচন থেকে আমরা প্রায় ১৫ বছর বঞ্চিত, সেই নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের জনগণ তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার একটি সুযোগ পাবে। এখন এখানে জোর করে যদি সেই বিষয়টাকে বিতর্কিত করে ফেলা হয়, তাহলে জনগণ আবার তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।  আমাদের যে অভিজ্ঞতা, সেই অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি, এই ধরনের নির্বাচন যদি দ্রুত না হয়, সময়ক্ষেপণ করা হয়, তাহলে সেখানে অন্যান্য শক্তিগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে থাকবে। তখন জনগণ তাদের চাহিদা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে কে আসবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। সেটার জন্যই আমরা লড়াই করেছি দীর্ঘ ১৫ বছর। সেই কারণেই বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। স্বাভাবিকভাবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পরে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেড়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, এখন সমাজের যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, সেই ধরনের ব্যবস্থায় থেকে আমরা এখনো নিশ্চিত হতে পারছি না, আমাদের প্রত্যাশাগুলো পূরণ হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন প্রোগ্রাম, কর্মসূচি আছে। সেই কর্মসূচিগুলো তারা চালিয়ে যেতে চায়। কিন্তু একটি বিষয়ে সবাই একমত, একটি নির্বাচন হওয়া দরকার। নির্বাচন শুধু একটি দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়, একটি গণতান্ত্রিক পথ সৃষ্টি করার জন্য নির্বাচন প্রয়োজন।

শহীদ আসাদকে নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ঊনসত্তরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আমরা যারা জড়িত ছিলাম, তাদের কাছে শহীদ আসাদ অত্যন্ত ভালোবাসার নাম। আমরা যে সংগ্রাম-আন্দোলন করেছি, সেই সংগ্রাম-আন্দোলনে আসাদ একটি অনুপ্রেরণার নাম। শহীদ আসাদ আমাদের ইতিহাসের একটি অবশ্যম্ভাবী একটি নাম। যতই পাঠ্যপুস্তকে নাম না থাকুক বা কেউ স্মরণ না করুক, শহীদ আসাদকে ইতিহাস থেকে কেউ বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে আসাদ অমর হয়ে থাকবেন।

তিনি বলেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফলে আমরা একজন ফ্যাসিস্ট শাসককে দেশ থেকে চলে যেতে বাধ্য করেছি। ঊনসত্তুরের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খানকে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন, আজকে শহীদ আসাদ খুব প্রাসঙ্গিক। আমরা ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি, দীর্ঘ ১৫ বছর লড়াই করেছি, সবশেষে আমরা বিজয় অর্জন একটি করেছি। যারা এই বিজয় আনতে প্রাণ দিয়েছেন, সামনের দিনগুলোতে যাতে আমরা তাদের স্বপ্নগুলো যাতে বাস্তবায়ন করতে পারি, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

শহীদ আসাদ পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব উল্লাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি প্রমুখ।

শ্রীনগর

শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

ছবিঃ সংগৃহীত

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দুই দফায় ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও তার লোকজন। আহত অবস্থায় ভাই মো. রমজান আলী (৫১) ও বোন আসমা বেগমকে (৪২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জেলার শ্রীনগর উপজেলার সেলামতি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার সকাল ও বিকেলে। এ ঘটনায় আহত বোন আসমা ও বিকেলে ভাই রমজান শ্রীনগর থানায় পৃথক দু’টি অভিযোগ দায়ের করেন। ভাই রমজান ও বোন আসমা সেলামতি গ্রামের মৃত শেখ সলিমউদ্দিনের ছেলে-মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, সেলামতি গ্রামের প্রতিবেশি শাহজাহান ও মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে রমজান ও আসমার বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল শনিবার সকালে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে পাকা দেয়াল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলো শাহজাহান ও রফিকুলের লোকজন। এসময় বাথরুম নির্মাণে বাঁধা দিলে শাহজাহন ও রফিকুলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারীর নেতৃত্বে একদল লোক বোন আসমা বেগমের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটায়। এ ঘটনায় সকালেই শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আসমা। এরপর বিকেলে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে যায় বোন আসমা ও তার ভাই রমজান। এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির লোকজন ফের ভাই-বোনকে বেধড়ক পেটায়।

আহত রমজান আলী অভিযোগ করেন, শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও ব্যাপক প্রভাব দেখিয়েছে। ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর আরো বেপরোয়া এ বিএনপি নেতা। এছাড়াও সেলামতি গ্রামের আলেক বেপারী (৪০) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী হচ্ছেন বিএনপি নেতা ইদ্রিস বেপারী। ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ আলেক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বলেন, রমজান ও আসমাকে আমার লোকজন মারধর করেনি। উল্টো তারাই আমার লোকজনকে মেরেছে। এটা আমার শ্বশুর বাড়ির ঝামেলা বিধায় আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আসমা ও রমজানরা মিলে আমার শ্বশুর বাড়ির সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় শ্রীনগর থানার এসআই মো. এনামুল বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি বসতঘরের ভেতর বসি। তাদের শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করি। এসময় ঘরের বাইরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে । এ ঘটনায় অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপদেষ্টা

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

৯ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল সাড়ে দশটার সময় মুন্সীগঞ্জ সফরে আসেন ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। সার্কিট হাউসে আগমনের সময় মাননীয় উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন জেলা পুলিশের চৌকস দল।

সফরকালে মাননীয় উপদেষ্টা সকাল ১০ টা ৪১ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। গার্ড অব অনার শেষে কারাগারে প্রবেশ করে পরিদর্শন করেন এবং কয়েদিদের সাথে আলাপ করেন। জেলখানার ভিতর পরিদর্শন শেষে তিনি অনেক প্রশংসা করেনেএবং জেল সুপার ও জেলারকে ধন্যবাদ জানান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত, মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, মুন্সীগঞ্জ কারাগারের জেলার নুর মোহাম্মদ মৃধাসহ আরো অনেকে।

পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধিগনসহ আরো অনেকে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জেলা কারাগার বেলা ১ ঘটিকায় সময় ঢাকার উদ্দেশে মুন্সীগঞ্জ ত্যাগ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কয়েকটি শহীদ পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ হয়।

সাক্ষাৎকালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন, আহত ও শহীদ পরিবারের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি, আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশার কথা শুনেছেন এবং সরকারের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক সারজিস আলম উপস্থিত ছিলেন।