খুঁজুন
, ,

বাজেট

বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট করতে চায় সরকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৪:২৩ পূর্বাহ্ণ
বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট করতে চায় সরকার

জাতীয় বাজেট

২০২৫-২৬ অর্থবছরে আঁটসাঁট বাজেট দিতে যাচ্ছে ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। অর্থনীতির বিদ্যমান বাস্তবতায় আগামী বাজেট অত বড় করার ইচ্ছা নেই সরকারের। কারণ, রাজস্ব আহরণের অবস্থা ভালো নয়। অথচ ব্যয়ের চাপ ঠিকই আছে। মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে চলতি অর্থবছরে নিত্যপণ্য আমদানিতে অনেক শুল্ক ছাড় দিতে হয়েছে সরকারকে। এ ঘাটতি পূরণে নতুন করে শতাধিক পণ্যে আবার মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপ করেছে। এ জন্য আগামী অর্থবছরের বাজেটে ব্যয়ের ক্ষেত্রে লাগাম টানবে সরকার। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ আয় বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবছর ঢাউস আকারের বাজেট দেওয়া হলেও তা বছর শেষে বাস্তবায়িত হয় না। এ জন্য আগামী অর্থবছরের জন্য বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট দিতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে দেশের অভ্যন্তরীণ খাত থেকে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এবারই প্রথম করজাল সম্প্রসারণের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্ভাব্য আয়কর দাতাদের চিহ্নিত করা হবে। বাজেটে আয়কর খাত থেকে বেশি রাজস্ব আদায়ের চেষ্টা করা হবে।

সূত্র জানায়, আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য এনবিআরকে পাঁচ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করার প্রাথমিক টার্গেট দেওয়ার চিন্তা ছিল। কিন্তু এখন তা কমিয়ে আনার প্রস্তাব করা হবে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজস্ব আদায়ের এই টার্গেট কোনোভাবেই পূরণ হওয়া সম্ভব নয়। কারণ আগামী অর্থবছরের শেষ ভাগে একটি সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যমান ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো পরিবর্তন হওয়া সম্ভব নয়। আর আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের বাড়ানোর জন্য যে ব্যাপক করজাল সম্প্রসারণ করা দরকার, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে তাও করা সম্ভব হবে না। এসব কারণে আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের টার্গেট পাঁচ লাখ কোটি টাকার নিচে রাখাই সমীচীন হবে। অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, আসছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রতিটি ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং খাদ্য, আবাসন, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসন করে সমতাভিত্তিক দেশ গঠন। দ্বিতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে বিভিন্ন রকম সংস্কার কার্যক্রম, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান-বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

জানা গেছে, সরকার বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট দিতে অংশীজনদের সঙ্গে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মাসব্যাপী সিরিজ বৈঠক শুরু করতে যাচ্ছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে এই বৈঠকগুলো হওয়ার কথা রয়েছে।

আসন্ন বাজেট ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। উন্নয়ন বাজেট (এডিপি) সংশোধনের ক্ষেত্রে এবার বৈদেশিক অর্থায়নের পরিমাণ দেশীয় অর্থায়নের তুলনায় বেশি থাকবে। বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ উন্নয়ন বাজেটের প্রায় ৬০ শতাংশ হবে। রাজস্ব আয় না বাড়ার কারণে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে রাজস্ব বৃদ্ধির পরিকল্পনাও রয়েছে।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আগামী বাজেটের দৃশ্যমান আলোচনা আগেভাগে শুরু হবে। এতদিন অভ্যন্তরীণ কাজ হয়েছে। এবার বাজেটের কাজ আগেভাগেই শেষ করা যাবে।

এদিকে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে আয়কর-সম্পর্কিত বিভিন্ন আইন ও বিধি সংশোধন, সংযোজন বা পরিবর্তনের জন্য দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রস্তাব ও সুপারিশ আহ্বান করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের কাছে গত সোমবার চিঠি পাঠিয়ে তাদের প্রস্তাব ও সুপারিশ চেয়েছে এনবিআর। সংস্থাটি জানায়, রাজস্ব আহরণের অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে আয়করসহ অন্যান্য প্রত্যক্ষ কর জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। প্রত্যক্ষ করব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী ও অংশীদারত্বমূলক করার লক্ষ্যে ২০২৫-২৬

অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, রাজস্ব আদায় কার্যক্রমে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের প্রচেষ্টাকে এনবিআর অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। এ জন্য ব্যবসায়ীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে আয়করসহ অন্যান্য প্রত্যক্ষ করসংক্রান্ত আইন ও বিধির ওপর সুচিন্তিত মতামত, প্রস্তাব ও সুপারিশ আহ্বান করা হয়েছে।

বিভিন্ন ব্যবসায়ী সমিতি, চেম্বার ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো চিঠিতে মোট চারটি বিষয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মতামত চেয়েছে এনবিআর। বিষয়গুলো হচ্ছেÑ ২০২৩ সালের আয়কর আইন; ২০২৪ সালের উৎসে কর বিধিমালা ও অন্যান্য বিধিমালা; ২০০৩ সালের ভ্রমণ কর আইন এবং ১৯৯০ সালের দান কর আইন।

এসব বিষয়ে প্রস্তাব ও সুপারিশ করার জন্য চিঠিতে ছক তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী, আগামী ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এনবিআরের করনীতি শাখার কাছে (হার্ড কপি) সুপারিশ ও প্রস্তাব পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া সরাসরি ই-মেইলের মাধ্যমেও প্রস্তাব সুপারিশ পাঠানো যাবে।

উল্লেখ্য, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাঝামাঝি সময় এসে শুল্ক-করে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এসব পরিবর্তন আনা হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ঋণ পাওয়ার শর্ত পূরণের জন্য। এর মাধ্যমে শতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে, যা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, মূল্যস্ফীতি কমাতে ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে এই প্রথম নিয়ন্ত্রণমূলক বাজেট দিতে যাচ্ছে সরকার। এ জন্য পাবলিক সেক্টরে ব্যয়ের লাগামও টানা হচ্ছে। সেই সঙ্গে উন্নয়ন ব্যয়ের লাগামও আপাতত টেনে ধরার পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ। এতে করে বাজারে নগদ টাকার প্রবাহ কমে আসবে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে আইএমএফ ও অর্থবিভাগ। এমনিতেই দেশের অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে গেছে, যার প্রভাব পড়ছে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে। এমন শ্লথগতি আরও অন্তত দুই বছর চলমান থাকবে। এর ফলে চলতি বছর শেষে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে আসতে পারে ৩ দশমিক ৮ শতাংশে। তবে দুই বছর পর এই প্রবৃদ্ধি আবার বাড়তে শুরু করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ।

এই পরিস্থিতিতে আপাতত নিয়ন্ত্রণমূলক বাজেট দিয়ে অর্থনীতির অচলাবস্থার উন্নতি ঘটানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তবে যে কোনো মূল্যে বাজারে টাকার প্রবাহ কমাতে না পারলে মূল্যস্ফীতির লাগাম কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না বলে মনে করে আইএমএফ। এ জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

 

শ্রীনগর

শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্রীনগরে ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির নেতা

ছবিঃ সংগৃহীত

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে দুই দফায় ভাই-বোনকে পিটিয়েছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও তার লোকজন। আহত অবস্থায় ভাই মো. রমজান আলী (৫১) ও বোন আসমা বেগমকে (৪২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। জেলার শ্রীনগর উপজেলার সেলামতি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার সকাল ও বিকেলে। এ ঘটনায় আহত বোন আসমা ও বিকেলে ভাই রমজান শ্রীনগর থানায় পৃথক দু’টি অভিযোগ দায়ের করেন। ভাই রমজান ও বোন আসমা সেলামতি গ্রামের মৃত শেখ সলিমউদ্দিনের ছেলে-মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, সেলামতি গ্রামের প্রতিবেশি শাহজাহান ও মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে রমজান ও আসমার বিরোধ চলে আসছিলো। গতকাল শনিবার সকালে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে পাকা দেয়াল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলো শাহজাহান ও রফিকুলের লোকজন। এসময় বাথরুম নির্মাণে বাঁধা দিলে শাহজাহন ও রফিকুলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারীর নেতৃত্বে একদল লোক বোন আসমা বেগমের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটায়। এ ঘটনায় সকালেই শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আসমা। এরপর বিকেলে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে যায় বোন আসমা ও তার ভাই রমজান। এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির লোকজন ফের ভাই-বোনকে বেধড়ক পেটায়।

আহত রমজান আলী অভিযোগ করেন, শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও ব্যাপক প্রভাব দেখিয়েছে। ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর আরো বেপরোয়া এ বিএনপি নেতা। এছাড়াও সেলামতি গ্রামের আলেক বেপারী (৪০) হত্যা মামলার অন্যতম আসামী হচ্ছেন বিএনপি নেতা ইদ্রিস বেপারী। ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ আলেক হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস বেপারী বলেন, রমজান ও আসমাকে আমার লোকজন মারধর করেনি। উল্টো তারাই আমার লোকজনকে মেরেছে। এটা আমার শ্বশুর বাড়ির ঝামেলা বিধায় আমি সেখানে গিয়েছিলাম। আসমা ও রমজানরা মিলে আমার শ্বশুর বাড়ির সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ ঘটনায় শ্রীনগর থানার এসআই মো. এনামুল বলেন, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি বসতঘরের ভেতর বসি। তাদের শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করি। এসময় ঘরের বাইরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে । এ ঘটনায় অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপদেষ্টা

মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান

৯ ফেব্রুয়ারী রোববার সকাল সাড়ে দশটার সময় মুন্সীগঞ্জ সফরে আসেন ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। সার্কিট হাউসে আগমনের সময় মাননীয় উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন জেলা পুলিশের চৌকস দল।

সফরকালে মাননীয় উপদেষ্টা সকাল ১০ টা ৪১ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। গার্ড অব অনার শেষে কারাগারে প্রবেশ করে পরিদর্শন করেন এবং কয়েদিদের সাথে আলাপ করেন। জেলখানার ভিতর পরিদর্শন শেষে তিনি অনেক প্রশংসা করেনেএবং জেল সুপার ও জেলারকে ধন্যবাদ জানান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাত, মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, মুন্সীগঞ্জ কারাগারের জেলার নুর মোহাম্মদ মৃধাসহ আরো অনেকে।

পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, মুন্সীগঞ্জ গণপূর্তের অতিরক্ত প্রধান প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুব করিম,মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুর রহমান, জেল সুপার বদরুদ্দোজা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদ, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধিগনসহ আরো অনেকে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মাননীয় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জেলা কারাগার বেলা ১ ঘটিকায় সময় ঢাকার উদ্দেশে মুন্সীগঞ্জ ত্যাগ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কয়েকটি শহীদ পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (০৯ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ হয়।

সাক্ষাৎকালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন, আহত ও শহীদ পরিবারের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও স্বীকৃতি, আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশার কথা শুনেছেন এবং সরকারের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক সারজিস আলম উপস্থিত ছিলেন।